√√
👉সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রোগ্রামের নিউজ
👉ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য
👉সচেতন ও সতর্কতা মূলক বার্তা-প্রেরণ
📌দৈনিক_হাদিস_পোস্ট দওয়া হবে একটা বা দুইটা
__(হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন)__[আমিন] - 🤲🤲
মুহতারাম মুফতী আমজাদ হোসাইন আশরাফী ইসলামি আন্দোলনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে লম্বা দেখা দিলেন তিনার আসন কেন ছাড় দেওয়া হয়নি ⁉️ মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফী হাফি. এই সুযোগে জাশির বট বাহিনি এবং তিনার দলের লোক সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে ইসলামি আন্দোলনের বিরুদ্ধে করুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে ঝাপিয়ে পড়লো! তার ব্যতিক্রম হিসেবে তিনার অভিযোগের আলোকে সচেতন মহলের যৌক্তিক কিছু কমেন্ট পেয়েছি, সেগুলো থেকে এখানে কিছু কমেন্ট হুবহু তুলে ধরলাম! 👇 ভাই,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অনেক জায়গায়ই ছাড় দিয়েছে। যা আপনিও জানেন। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন কি কোথাও কারো কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পেয়েছে? নূন্যতম সমর্থনও কি জুটেছে? আমার আসনে বাংলাদেশের খেলাফত মজলিসের অনেক ভাইয়েরাই ছিল জামাতের প্রচারণার অগ্রভাগে। আমাদের সাথে না থাকুক অন্তত চুপও তো থাকতে পারতো। এতেও আমাদের অনেক ফায়দা হত। ✍️ Mufti Shamsuddoha আপনি ছিলেন দলীয় প্রার্থী, ইসলামী আন্দোলন মামু নুল হ ক সাহেবের আসনে প্রার্থী প্রত্যাহার করেছিলো। এটাও উদারতা। কয়টা আসনে এমন উদারতা দেখানো যায় বলুন। কেননা তাদের ভোটের ফিগার অনুপাতে উচ্চকক্ষের প্ল্যান হাতে ছিলো। সেহেতু...
বাচ্চাদের হাতের দিকে একটু খেয়াল করুন! কিছু দেখতে পাচ্ছেন? বাৈচ্চাদের হাতের দিকে একটু খেয়াল করুন! কিছু দেখতে পাচ্ছেন? রাজবাড়ীর অংকুর কিন্ডার গার্ডেন। তারা দাবি করে, তাদের মিশন স্কুলগুলোতে ধর্ম পরিবর্তনের কোনো কার্যক্রম নেই। অথচ প্রকাশ্যে খ্রিষ্টান ধর্মে দাওয়াত না দিলেও, শিশুদের মানসিকভাবে সেই পথে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এমনই একটি ঘটনার কথা শোনা গেছে রাজবাড়ীর একটি স্কুলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। সেখানে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধূর্ত মাদার টেরিজার সাজে সাজানো হয়েছে। শিশুদের এবং অভিভাবকদের মানসিকভাবে এমনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে যেন মাদার টেরিজা একজন “মহীয়সী নারী”। অথচ তিনি ব্যাপকভাবে বিতর্কিত একজন ব্যক্তি, এবং দুর্ভিক্ষের সময় অসহায় মানুষদের খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয়ের বিনিময়ে ধর্ম পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আজ সেই ধূর্ত শেয়ালের রূপেই আমাদের মুসলিম সন্তানদের সাজানো হচ্ছে! উপরন্তু, শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে খ্রিষ্টানদের ক্রস চিহ্ন। আমাদের কবে হুঁশ হবে? কবে ঈমান জেগে উঠবে? কবে বুঝব, পৃথিবীর সব কিছুর চেয়ে ঈমানই সবচেয়ে দামী?
হাটহাজারী মাদ্রাসায় মওদূদীবাদী জামায়াত- শিবিরের হামলার ইতিহাস। রাত সাড়ে ৯টা, শ'খানেক সশস্ত্র জামাত শিবির ক্যাডার একটি ট্রাকযোগে মাদ্রাসার গেটের সামনে নেমে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে মাদরাসার ভেতরে ডুকে পড়ে। তারপর ৩/৪টা পটকা ফুটিয়ে ছাত্র- শিক্ষকদের সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা চালায়। তারা কয়েক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে একদল দফতরে ইহতেমাম, আরেকদল দাওরায়ে হাদীসের নৈশকালীন ক্লাস চলাকালে দাওরার শ্রেণিকক্ষের দিকে এবং আরেকটি দল পাঠাদানের জন্য ব্যবহৃত মাইকের সেট রাখা কক্ষের দিকে অগ্রসর হয়। ১৯৮৫ সালের ১০ডিসেম্বর রোজ মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টায় জামাত শিবির এই হামলা করে। শিবিরের ১ম দল হুমকি ধমকি ও অশালীন গালাগাল করে হজরত মুহতামিম সাহেবের দরজা ভাঙার চেষ্টা চালায়। শিবিরের ২য় দল, দারুল হাদীসে উঠে মুসলিম শরীফের দরস রত উস্তাদ ও ছাত্রদের উপর আক্রমণ চালায় এবং লাথি দিয়ে কিতাবপত্র এদিক সেদিক ফেলে দিতে থাকে। ( নাউজুবিল্লা।) এসময় দরস দানকারী মুহাদ্দিস মুফতি আযম আহমদুল হক রহ. উপায়ন্তর না দেখে সেখানেই সিজদায় পড়ে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করতে থাকেন। ইত্যবসরে হোস্টেলে অবস্থানরত হাজার হাজার ছাত্র মাদরাসা, মুহতামিম সাহেব ও ...
Comments
Post a Comment